Book 3 || A Very Stable Genius || Philip Rucker || Carol Leonning || Ankon Dey Animesh

 


কিছুটা মক করা এই বইটা মূলত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উনার কার্যকর্মের কিছুটা এনালাইসিস নিয়ে। আপনি তাকে ভালোবাসুন বা ঘৃণা করুন, এটা অস্বীকার করতে পারবেন না যে উনার কাজগুলো খুব বড় ইম্প্যাক্ট ফেলেছিল, ভালো অথবা দুর্বিসহ ভাবে। এই বইটি উনার হোয়াইট হাউজে থাকা অবস্থার সময়ের কথা তুলে ধরে উনার খুব অন্তরঙ্গ বা ক্লোজ কিছু মানুষের সাথে বই এর লেখকের নেওয়া ইন্টারভিউ এর উপর ভিত্তি করে। 




Introduction


২০১৮ সালে রেডিও সিটির এক স্ট্যান্ডাপ কমেডি স্পেশালে কমেডিয়ান জন মুলানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসন সম্পর্কে একটা এনালজি দেন। তা অংকন অনুবাদ করলে যা দাঁড়ায় তা হচ্ছে, 
"আমি এটাকে যেভাবে দেখি তা হচ্ছে, এক হাসপাতালে এক পাগলা ঘোড়া এসেছে। আমরা সবাই ভাবি যে কোনো একদিন হয়ত সব ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু একই সাথে আমরা জানি নাহ যে ঠিক পরের মুহুর্তে কি ঘটবে। আপনিও জানেন নাহ, আপনার বাপ ও জানেন নাহ, কারণ হাসপাতালে যা এসেছে তা একটা পাগলা ঘোড়া। এটা আগে কখনো হয় নাই, তাই কেউ জানে নাহ এরকম কোনো পাগলা ঘোড়া আসলে কী হয়। সেই ঘোড়া নিজেও কখনো কোনো হাসপাতালে আসেনি, তাই সে নিজেও তোমার মতই কনফিউজড। যেহেতু আগে কখনো এটা ঘটে নি, তাই এর কোনো এক্সপার্ট নেই।" 

এরপর সেই শো তে মুলানে তার এনালজিটাকে ব্যাখ্যা করতে থাকেন ও সাদৃশ্য আনতে থাকেন এমেরিকার এলার্মিং নিউজ আপডেটগুলোর সাথে। মুলানে বলেন, "দেখুন, যখন হাসপাতালে পাগলা ঘোড়া আসবে, আপনি সব সময় উদ্বিগ্ন থাকবেন। জানতে চাইবেন 'এর পরে কি হলো? আপডেত কী?' সব সময় যে খারাপ সংবাদ আসবে তা নাহ, কিছু ভালো সংবাদ ও আসতে পারে যা দেখে আপনার একটু অড লাগবে। যেমন সংবাদ আসতে পারে 'ঘোড়াটি সিঁড়ি দিয়ে না উঠে লিফট দিয়ে উঠছে, লিফট ব্যবহার শিখেছে' এবং তখন আপনি বলবেন মনে মনে যে 'ওয়াও! ঘোড়া এটাও করতে পারে নাকি! জানতাম নাহ তো!' কিন্তু সব থেকে ভয়ে থাকবেন আপনি ঐদিন যখন আপনি ঘোড়া সম্পর্কে কিছুই জানবেন নাহ। আপনি নিজেই খোঁজ নিতে চাইবেন, অবস্থা কতটা বাজে সেটার, কন্ট্রোল রুমে গিয়ে জিজ্ঞেস করবেন 'আচ্ছা কেউ কি জানেন ঘোড়াটা এখন কোথায়? কী করছে?'। এরপর আরো কিছুদিন শান্ত যাওয়ার পরে সবাই ধরে নিবে যে পাগলা ঘোড়া শান্ত হয়ে গিয়েছে এবং ঠিক তখন ঘোড়া আবার বাচ্চাদের ইনকিউবেটর এর কাছাকাছি দৌড়ে যেতে যেতে বলবে 'আমি সবাইকে শেষ করে দিব আমার খুরগুলো দিয়ে। আমার সুন্দর সুন্দর অনেক খুর আছে, এবং আমার লেজ আছে একটি। আমি একটি ঘোড়া' এবং ঠিক তখনই আপনার মনে হবে আরে ঘোড়ার পক্ষে এটা করাইতো নরমাল এবং আপনি বলে উঠবেন 'Oh no, that’s what I thought you’d say, you dumb fucking horse!'"

মুলানে যেভাবে ট্রাম্পকে আনলেন সেটা একটা নাইস পলিটিক্যাল স্যাটায়ার। মুলানে কোনো ইভেন্ট বা কাজের উপর মন্তব্য না করে বরং উনার কাজের জন্য আমাদের মনের মধ্যে কন্টিনিউয়াস যে উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল সেটার উপর প্রহসন টানলেন। মুলানে মূলত দেখাতে চেয়েছেন যে ট্রাম্প উনার অফিসে থাকা অবস্থায় এতটা আপডেট আমাদের কাছে আসতে থাকে যে আমরা তার সাথে কিপ আপ করতে পারি নাহ আর। এবং তার জন্যই এই বই। এতে সেই ঘোড়া, হস্পিটাল, এবং ঘোড়ার দায়িত্বে থাকা মানুষগুলোকে নিয়ে আলাপ। তবে আলাপ বুঝতে গেলে আপনাকে আগে এটা বুঝতে হবে হাসপাতালে ঘোড়া চলে আসা জিনিসটা স্বাভাবিক নয়, এবং ঘোড়া না থাকলে সাধারণভাবে হাসপাতালটা দেখতে কেমন হওয়া উচিত।  [মুলানে এর ভিডিওঃ There's a Horse In The Hospital | John Mulaney | Netflix Is A Joke



CHAPTER 1: TRUMP’S BRASHNESS CAUSES DIVISION

যখন আপনি এমেরিকার প্রেসিডেন্ট এই শব্দটা শুনেন, তখন আপনার মাথায় কীসের চিত্র আসা উচিত? হয়ত কোনো একজন শান্ত মাথার মানুষ, অনেক বিচক্ষণ, সুবিবেচনাবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। কিংবা হতে পারে এমন কেউ যে তার লিমিটেশন সম্পর্কে জানে এবং সাহায্য চাইতে ভুলে নাহ। লেখকের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়ে নাহ। এর জন্য হাজারটা ঘটনা চাইলেই মেনশন করা যায়, কিন্তু সব থেকে বেশি রিফ্লেকশন দিতে পারে যে ঘটনা তা হচ্ছে ২০১৭ এর একটা মিটিং যা ট্রাম্প এটেন্ড করেছিলেন। 

তো যেদিনের কথা বলছি, সেদিন ট্রাম্পের সাথে মিটিং হওয়ার কথা এমেরিকার কিছু টপ মিলিটারি সিকিউরিটি অফিশিয়াল। মিটিং এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সিকিউরিটি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা। উনারা যেস্থানে মিটিং করেছিলেন, সেই রুমের নাম হচ্ছে "দ্যা ট্যাঙ্ক"। পেন্টাগন এর জানালাবিহীন টপ সিক্রেট এক রুমে একজন প্রেসিডেন্ট কেমন ব্যবহার করা উচিত? প্রথমত অবশ্যই তিনি যা বলবেন তার থেকে দ্বিগুণ বেশি শুনবেন! কিন্তু ট্রাম্প কেন তা হতে যাবেন? সেদিনের ঘটনার উপর রেক্স টিলারসন এবং ডিফেন্স সেক্রেটারি জিম ম্যাটিস বলেন যে উনার মনোযোগ খরগোশ অপেক্ষাও কম। তো তারা উদ্বিগ্ন হন যে আদতেই যেসব আপকামিং ন্যাশনাল সিকিউরিটির সমস্যা আসছে, সেগুলা উনাকে বুঝানো সম্ভব কিনা এবং এত জটিলতার মধ্যে ট্রাম্পের মনোযোগ থাকবে কিনা। শেষ পর্যন্ত তাদেরকে এমন ভাবে সামারাইজ করতে হয় যেন তারা পাচ বছরের কোনো বাচ্চাকে খুব কম সময়ে লিও টলস্টয় এর বিশাল কোনো উপন্যাসকে সামারাইজ করে বুঝাচ্ছেন। 

শেষ পর্যন্ত তারা বিশাল এবং জটিল সিকিউরিটি ইস্যু সমূহের জন্য ৪৫ মিনিটের চেয়ে কম দৈর্ঘ্যের প্রেজেন্টেশন তৈরি করে দেখাতে বাধ্য হন। এমনকি তারা বুঝার সুবিধার্থে বিভিন্ন ভিজুয়াল এইডস, মার্কার, ছবি- ইত্যাদি ব্যবহারের ব্যর্থচেষ্টা ও করেন। এতকিছুর পরেও ট্রাম্পকে দেখে মনে হয় তিনি বোরড, বিরক্ত এবং তাকে বুঝানো ও সম্ভব হয়ে উঠে নাহ। তাদের কষ্ট বা এরেঞ্জমেন্টকে উৎসাহ না দিয়ে বরং উনি রিসেন্ট করেন। এবং তাদের যেসব কথা বলার ছিল তা নিয়েও উনার কোনো এপ্রিসিয়েশন থাকেনা। 

তাদের সেই কথার সময় ট্রাম্প আফগানিস্তান যুদ্ধ নিয়ে তার হিউজ মিসিন্টারপ্রিটেশন দেন, ন্যাটো এবং অন্যান্য এমেরিকান সহযোগীসমূহকে ওর্থলেস বলেন এবং ডিফেন্স মিনিস্ট্রি কে লুজার, বেবি ইত্যাদি ডাকতে থাকেন। যদিও প্রেসিডেন্টের জন্য রেস্পেক্টফুল ভাষা ব্যবহার করা উচিত, তাও টিলারসন লেখকের সাথে কথার সময় বলেন "This guy's a fucking moron."



CHAPTER 2: TRUMP LACKS THE BASIC QUALITIES EXPECTED OF A PRESIDENT

এর আগে, আমরা আগের অধ্যায়ে যে উদাহরণটি আলোচনা করেছি তা ট্রাম্পকে রাষ্ট্রপতি হিসাবে বিপর্যয় বিবেচনা করার পক্ষে আমাদের পক্ষে যথেষ্ট। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে, আমেরিকার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সামনে তাঁর বিব্রতকর উদ্বেগকে খুব সহজেই একতরফা বিবেচনা করা যেতে পারে। কারণ নিজের দেশের কর্মকর্তাদের বিতাড়িত করার পাশাপাশি, ট্রাম্প বিদেশেও সর্বনাশ ছড়িয়েছেন এবং আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে অসুস্থ ইচ্ছাকে পোষণ করেছেন। ভারতে তাঁর কূটনৈতিক মিশনে এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ পাওয়া যায়। যেহেতু টিলারসন চীন দ্বারা উত্থাপিত হুমকির বিষয়ে ট্রাম্পকে বুদ্ধিমানের পরামর্শ দিয়েছিলেন, তাই ট্রাম্পের কর্মকর্তারা তাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে নেটওয়ার্ক করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

ভূগোলের বেসিক জ্ঞান থাকলে আপনিও জানবেন যে, ভারত চিনের সীমান্তে অবস্থিত। তবে স্পষ্টতই, ট্রাম্পের কাছে এটি নতুন কোনো সংবাদ ছিল, তিনি মোদীকে নিজের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে বলতে বলে, সিরিয়াস্লি এমন মন্তব্য করেন যে, "আপনার সীমান্তে আপনি চীনকে পেয়েছেন এমন তো নয়!" এটা অবাক করার মত কিছু না যে মোদীও টিলারসনের মত একই ফার্স্ট ইম্প্রেশন গ্রো করেন। ফলস্বরূপ, মোদী বুদ্ধিমানভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে ট্রাম্পের সাথে কোন চুক্তি বুদ্ধিমানের হবে না। মোদীর সাহায্যে রাজি হওয়া তো দূরের কথা বরং এই মিটিং এর জন্য ভারত-এমেরিকা সম্পর্কের মধ্যেই এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আসলে মোদীকে তো দোষ দেওয়া যায় নাহ যেহেতু তার সাথে পার্টনার করতে চাওয়া মানুষ তার দেশের জিওগ্রাফি নিয়েও তেমন একটা কেয়ার করে নাহ। 

ট্রাম্পের অদক্ষতা যে কেবল মাত্র বেসিক জিওগ্রাফিতে তা নাহ, বরং অন্যান্য অনেক সাব্জেক্ট যা এমেরিকান প্রেসিডেন্টের জানা উচিত তাতেও তার জ্ঞানশূণ্যতা আছে, এমনকি এমেরিকান হিস্ট্রি নিয়েও! হলনলুলুতে পাল হার্বারে তার ভিজিটের সময় ব্যাপারটি বাজেভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠে। সব এমেরিকানদের মধ্যে প্যাট্রিওটিজম জাগ্রত করার ও শ্রদ্ধা জানানোর এই স্থানটির মনুমেন্টাল গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি উদাসীনই ছিলেন। উনার চিফ ও স্টাফ জন কেলিকে তিনি প্রশ্ন করে বসেন যে, "What’s this all about? What’s this tour of?” 

প্রেসিডেন্টশিপের আর্লি অবস্থায় এই তিন ঘটনার পরে উনার শুভাকাঙ্ক্ষী নেতারা  উনাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া শুরু করেন। তারা তার জন্য সব ন্যাশনাল ইম্পরট্যান্সের বিষয়সমূহ সামারাইজ করা শুরু করেন, যেভাবে টিলারসনকে করতে হয়েছিল "দ্যা ট্যাঙ্ক" এর মিটিং এর আগে। তাদের ইচ্ছা এটাই যে যদি এটা বুঝিয়েও উনাকে কিছুটা বেশি যোগ্য দেখানো যায়। কিন্তু স্টাফরা তাতেও কোনো কুল কিনারা করতে পারে নাহ। ট্রাম্পের নাম "দ্যা টু মিনিট ম্যান" হয়ে যায় কারণ দুই মিনিটের বেশি উনার এটেনশন ধরে রাখা সম্ভব হয় নাহ। উনাকে ইম্পরট্যান্ট ন্যাশনাল সিকিউরিটি নিয়ে এক পেইজ সামারি দিলেও তার মনোযোগ থাকে নাহ, দুই মিনিটেই সব শেষ করতে হয়। 



CHAPTER 3: TRUMP IS UNPROFESSIONAL

যদি আমরা হাসপাতালে রূপক ঘোড়াটি দেখার অভিজ্ঞতা থেকে কোনও কিছু শিখতে পারি, তা হচ্ছে প্রতিবারই যখন আমরা ভাবি যে এটি আরও খারাপ হতে পারে না, এটি হয়ে যায়। এটি আমেরিকার মিত্রদের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের বিষয়টি বিশেষত স্পষ্ট। কারণ যদিও আমরা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিকে ঐতিহাসিকভাবে আমেরিকা সমর্থন করে এমন দেশগুলির সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আশা করব, সেই আশা কেবল আশাই থেকে যায়- আর ঘটে নাহ। আর যদি কেউ তার দেশের মানুষগুলোকে বোকা লম্পট ডেকে বিতারিত করতে থাকে, তবে সেই ঘটনা থেকেও খারাপ কিছু তো ঘটবে তখন যখন সে বিদেশী শক্তির সাথে ইন্টারেক্ট করা শুরু করবে!

ট্রাম্পের কর্মীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণটি ট্যাঙ্ক সভায় তাঁর দ্বন্দ্ব দিয়ে শেষ হয়নি। তিনি শুনতে চান এমন কথা যারা জানাতে চাননি তাদেরকে টার্গেট করেও তার আনন্দ পেতে দেখা যায়। এরকম একটি টার্গেট ছিল তার প্রথম জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা এইচআর ম্যাকমাস্টার। ক্যারিয়ারে সামরিক বিশেষজ্ঞ হওয়ার পাশাপাশি ম্যাকমাস্টার উচ্চ শিক্ষিতও ছিলেন; তিনি সামরিক ইতিহাসে পিএইচডি করেছেন। এবং স্বাভাবিকভাবেই তিনি উচ্চ শিক্ষিতের মত আচরণই করেছিলেন। তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি আপডেট ট্রাম্পকে জানানোর সময় কোনো প্রকার রস কষের আবরণের মধ্যে তাকে আবৃত করতে উৎসাহী ছিলেন নাহ। যা সত্য, তাই তিনি বলে দিতেন।

যেকোন পলিটিশিয়ানের পক্ষেই সত্যবাদী কাউকে দায়িত্বে পাওয়া খুব রেয়ার একটা ঘটনা হলেও ট্রাম্প এটাকে সেভাবে দেখতেন নাহ। বরং এই সত্যের উপর তিনি রেগে উঠলেন এবং মিলিটারি স্ট্যান্স নিয়ে তাকে মক করাও শুরু করলেন। এরকম বিভিন্ন ইভেন্ট ট্রাম্পের সাথে উনার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজর এর মধ্যেই উত্তেজনাকর সম্পর্কের সৃষ্টি করে। 

তিনি ক্রিস্টজেন নিয়েলসনের সাথেও প্রায় একই ব্যবহারই করেন, যে ছিল তার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি। নিয়েলসনকে তিনি প্রায়ই অনেক দুর্বল বলতেন যেখানে দুর্বল বলতে তিনি তাকে ইলিগাল একশন নিতে অক্ষম বুঝাতেন। যেমন ২০১৮ এর নভেম্বারে ট্রাম্প নিয়েলসনকে এমেরিকা ও মেক্সিকো এর বর্ডার বন্ধের আদেশ দেন এটা ভেবে যে ইলিগ্যাল ইমিগ্র্যান্ট ইনফ্লাক্স কমবে। নিয়েলসন পয়েন্ট আউট করেন যে এটাতে লিগ্যাল রেফিউজি আসাও বন্ধ হবে এবং এটি কেবল ইলিগাল নয়, আনওয়াইজও হবে। এরপর ট্রাম্পের রেস্পন্সের জন্য নিয়েলসন পাঁচ মাসের মাথাতেই রিজাইন করেন। 



CHAPTER 4: FINAL SUMMARY

কমেডিয়ান জন মুলানে তার এনালজির দিক থেকে খারাপ ছিলেন নাহ। এমেরিকার প্রেসিডেন্ট থেকে এক্সপেক্ট করা যায় এরকম বিহেইভ করা থেকে অনেক দূরে থেকে তিনি বরং তার স্টাফকে এবিউজ করেছেন, এবং তার দেশে বা বিদেশে সহযোগীদের প্রতিও উদাসীন থেকেছেন। তার রাগ ও আনপ্রফেশনাল বিহেভিয়ার এর সাথে তিনি দুই মিনিটের ও কম মনোযোগ সময় দিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে দরকারী জিনিসপত্র জানার প্রতিও দেখিয়েছেন উদাসীনতা। তার এমেরিকার সংবিধানের সাথে আনফেমিলিয়ারিটি, পাল হার্বর ইন্সিডেন্ট, বা ইন্ডিয়ান বেসিক জিওগ্রাফি না জানা ইত্যাদি বইয়ে উদাহারণ হিসেবে তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। 

Summarized and Edited By: Ankon Dey Animesh

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ