Book 4|| 10 Days to Faster Reading || The Princeton Language Institute|| Abby Marks Beale|| Ankon Dey Animesh
আমাদের প্রতিদিনের জীবন এতটা ব্যস্ততাপূর্ণ হয়ে গিয়েছে যে আমাদের পক্ষে পড়ার সময় বের করাটা অনেকটা টাফ হয়ে যায়। (এটা আমার জন্য অনেক বেশি সত্যি, এবং এর জন্যই ধীরে ধীরে আমার মধ্যে একটা ভিন্ন রকমের রিডার্স ব্লক গ্রো করছিল)। এই বইটি মূলত সবার জন্যই লেখা, কেউ বেশি পড়ুক বা কম, তার জীবনে সময় কম থাকুক বা বেশি। প্রিন্সটন ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্সটিটিউট আর লেখকের যৌথ রিসার্চ থেকে আমরা জানতে পারব যে আমাদের মিস্কন্সেপশনগুলো কীভাবে আমাদেরকে পড়তে দেয় নাহ, আর কীভাবে আমরা আমাদের মনকে ভালো হ্যাবিট দিয়ে রিপ্লেস করতে পারি এবং সাথে থাকবে আরো কিছু ফাস্ট রিডিং টেকনিক। শুরু করা যায়!
Introduction
আমাদেরকে যদি কেউ এসে বলে যে তুমি কী চাও? উড়ার ইচ্ছা? কীভাবে ভালোবাসার মানুষকে পাওয়া যায় সেটা জানা? নাকি যেসব বই পড়ে শেষ করার ইচ্ছা সেগুলোকে শেষ করার মত শক্তি পাওয়া? আমরা যারা অনেক বই পড়তে ভালোবাসি, বাট এটলিস্ট অনেক বেশি জানতে পছন্দ করি তারা হয়ত আমার মত শেষ অপশনটাই চুজ করতে পারবে। এবং এই বইটি হয়ত আপনাক উড়তে শিখাতে পারবে নাহ, ভালোবাসার মানুষকে খুঁজে পেতে শিখাতে পারবে নাহ, কিন্তু পৃথিবীর মানুষের অন্যতম যে বাসনা, পড়ে শেষ করার, তার জন্য আপনাকে কিছুটা প্রস্তুত করে তুলতেই পারে মডার্ন রিডিং টেকনিক শিখানোর মাধ্যমে। আর সেই লেখাগুলোক সবথেকে ছোট করে তুলে ধরার জন্য তো আমি আছিই!
তো লেখক মূলত বুঝাতে চেয়েছেন তার টেক্সট গুলোর মাধ্যমে যে আমাদের বই পড়ার প্রতি ভিউপয়েন্ট বা পারস্পেক্টিভটা কেমন, কী কী ব্যাড হ্যাবিট আমাদের আছে, কীভাবে সেগুলোকে একটু গুড হ্যাবিট দিয়ে রিপ্লেস করা যায়, আমাদের ব্রেইন কীভাবে পড়ার সময় আমরা তার ফুল পটেনশিয়ালে ব্যবহার করতে পারি নাহ, এবং কীভাবে না পড়েই বই এর ৪০% আইডিয়া পাওয়া যায়। এই টেকনিকগুলো যে আমাদেরকে কেবল দ্রুত পড়তে শিখাবে তা নয়, বরং দ্রুত এবং স্বার্থকভাবে তথ্য ক্যাপচার করার স্কিল ও শিখাবে! 
CHAPTER 1: WE PUT TOO MUCH PRESSURE ON OURSELVES WHEN WE READ
পড়ার সময় এত কম, কিন্তু পড়ার জন্য আছে এত কিছু! এই কথাগুলো আমাদের এত ভালো লাগে যে এই কথাগুলো নিয়ে এন্ডলেস মিমস, জিফস বা ব্যানারস আছে। এমনকি সেগুলো আমরা নিজেরাও অনেকে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এ পোস্ট করি বা ঘরের দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখি। নিজেদেরকে সব সময় এটাই বলতে থাকি! এটা সব বুক রিডাররাই ফিল করেছে হয়ত আমাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। নতুন কোনো একটা বই পেয়ে আমরা এত বেশি উৎসাহিত হয়ে যাই যে যেটা পড়ার কথা সেটাকে ফেলে রেখে আগে এটা পড়ি এমনটা ভেবে যে, আরেহ দ্রুতই এটা পড়ে ওটা শুরু করব। এমনকি বই লাভার না হলেও মজার বা ইন্ট্রেস্টিং ইউটিউব ভিডিও, ফেসবুক পোস্ট, ভিডিও, আর্টিকেল, মিম দেখে এমনটাই ডিস্ট্র্যাক্টেড হয়ে যাই যে আমাদের সেই ফেলে রাখা বই এর পাইল বাড়তে বাড়তে ঘরের ছাদ স্পর্শ করে। এবং আমরা বলতে থাকি, পড়ার জন্য এত কিছু, সময় এত কম!
কিন্তু যদি আমি আপনাকে বলি যে সময়টা এখানে সমস্যা নয়? বা আপনার লিস্টে থাকা বইগুলোকে আপনি অনেক সহজেই পড়ে শেষ করে ফেলতে পারবেন? এটা করার জন্য আপনার মাথা থেকে বেশ কিছু মিসকন্সেপশন ঝেরে ফেলতে হবে। যেমন অনেকের মধ্যেই সেই ছোটবেলা থেকে টেক্সট বুক খুটিয়ে খুটিয়ে মুখস্ত করে পড়তে পড়তে একটা ঝামেলা হয়ে যায় যে, সে সব বইকেই এভাবে এপ্রোচ করা শুরু করে। (আমি জানিনাহ এটা কতটা সত্যি, কজ আমি নিজে ছোটবেলা থেকে কখনোই ঐরকম ছিলাম নাহ)। তো এই যে সময় নিয়ে মুখস্ত করার মত করে পড়া, এই জিনিসটা অবশ্যই একটা টাইম কঞ্জিউমিং ফ্যাক্টর। অবশ্যই কোনো গল্পের চরিত্র বা কাহিনী কমপ্লেক্সিটি বুঝার জন্য আমরা একটু সময় নিয়ে পড়তে পারি, এবং হয়ত সেভাবে পড়াই উচিত (যেমন দ্যা সঙ্গ অফ আইস এন্ড ফায়ার) কিন্তু কুইজ পরীক্ষার প্রিপারেশনের মত করে খুটিয়ে পড়ার তো দরকার নেই!
তাহলে যদি আমরা আমাদের ডেস্কে পড়ে থাকা সব গুলোকে নিউজপেপার বা ডকুমেন্টকে ফিনিশ করতে চাই, তাহলে আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে প্রাইওরিটাইজেশন বলে একটা জিনিস আছে। মানে হচ্ছে কিছু শব্দ বা ফ্রেজ বা বাক্যকে ভালো মত দেখে বাকিগুলো স্কিম করে যাওয়া বা কিছুটা দ্রুত অলস ভাবে পড়ার মাঝে কিছু স্পেশাল জিনিসকে মনের মধ্যে গেঁথে নেওয়া চেষ্টা করা। এটা শুনে মনে হতে পারে যে আপনাকে আমি এক কান দিয়ে নিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দিতে বলছি, আসলে ব্যাপারটা তা নাহ এবং আরেকটু পড়লেই আপনি বুঝে যাবে। আপনাকে আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে আপনার বোঝা উচিত আমাদের মেমোরির সাথে পড়ার কেমন সম্পর্ক। এমনকি আপনি যদি কিছু মুখস্ত ও করেন, সেটাও আপনার শর্ট টার্ম মেমোরি তে থাকবে এবং কয়েক দিন পরে আপনি ভুলে যাবেন। তাই লং লাস্টিং করতে চাইলে একটা সাস্টেইনেবল সিস্টেম গড়ে তুলাই উচিত!
আর এই মেমোরি বিল্ডাপ করার বা লম্ব সময় ধরে মনে রাখার জন্য একটা ভালো উপায় হচ্ছে কিছু হাইলাইট বা ইম্পরট্যান্ট জিনিস বা যেগুলো আপনাকে মনকে ধরার রাখার মত মনে হলো, সেগুলোকে একটু করে টুকে নেওয়া এবং বই এর ভাজে রেখে দেওয়া। যখন দরকার হবে, সেই নোটটা নিয়ে একটু বুলিয়ে নেন এবং মনে করতে থাকেন যে নোটের এই শব্দের আশে পাশে কী ছিল বা কেন আপনি নোট করেছিলেন। মনে না করতে পারলে পেইজটা দেখে নিন!
আরেকটা মিস্কনসেপশন হচ্ছে কাজের সময় বা জবের সময়ে পড়া উচিত নাহ। এটা সত্যি নাহ, বরং এটাই করা উচিত! ঘড়িতে সময় আবদ্ধ মানেই এই নয় যে সেটা কেবল মাত্র ফিজিক্যাল কাজে লাগালেই বেস্ট আউটপুট আসবে। বরং আপনি যেই ফিল্ডেই কাজ করেন নাহ কেন, আপনার রিলেটেড আইডিয়া, টিপস, এডভাইস, মডার্ন অবস্থা এসব জানা আপনার জন্য অনেক দরকার, এবং তার জন্য পড়া একটা ভালো অপশন!
CHAPTER 2: OUT WITH THE OLD, IN WITH THE NEW
আপনি যদি নিজেকে ইম্প্রুভ করতে চান বা ঐ যে সেলফ-ইম্প্রুভমেন্ট আনতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার পুরানো ধারণা বদভ্যাস কে ছুড়ে ফেলে নতুন কিছুকে আগলে নিতে হবে এবং এই দ্রুত পড়া আয়ত্ত্ব করার ক্ষেত্রে এটা খুব দরকার। গত চ্যাপ্টারে আমরা আমাদের মিসকনসেপশন নিয়ে জানলাম, এবং এখন আমরা জেনে নিব আমাদের কিছু বদভ্যাস নিয়ে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে দিবাস্বপ্ন দেখতে থাকা। ইয়েস আমি জানি, আমরা সবাই ই এর মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমরা পড়ছি এবং পড়তে পড়তে সেই কবের কোন দুনিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছি, ১০০টা খরগোশের গর্তে তলিয়ে যাচ্ছি। এবং এই তলিয়ে যাওয়া আমাদেরকে মনোযোগ দিতে তো সমস্যা করেই, সাথে পড়া বুঝা বা মনে রাখাতেও সমস্যা করে। তাই এই বদভ্যাসকে হটানোর জন্য একটা পজিটিভ স্ট্র্যাটেজি দরকার, যার নাম “সক্রিয় মন সঞ্চালন”।
এখন এটা মেনে নিতেই হবে যে আমাদের একদম কোর অভ্যাস গুলোর মধ্যে এটা গেঁথে গেছে এবং এটাকে একদম বের করে দেওয়া অসম্ভব। তাই যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে, আমরা এটাকেই ব্যবহার করব। আমরা আমাদের মন কে গর্তে হারাতে দিব, বাট একটু কন্ট্রোলে রেখে, নির্দিষ্টভাবে রেখে। আমরা যে বইটি পড়ছি সেই বইয়ের রিলেভ্যান্ট গর্তে রেখে আমাদেরকে তলিয়ে যেতে হবে। তাহলে আমরা আগের ব্যয় হওয়া সময়কাল তো কমাতে পারবই, সাথে যেটা পড়ছি সেটার সাথে একটা পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স কে রিলেট করতে পারায় পড়াটাও বেশি সময় ধরে মাথায় রাখতে পারব!
আরেকটা বদভ্যাস হচ্ছে পুনরায় পড়া, মানে এক জিনিস বারবার পড়া। এইটা ঐ দিবাস্বপ্ন থেকে বা আমাদের ফোকাস করার এবিলিটির অভাব থেকেই হয়ে থাকে। এটা ঠেকানোর জন্য আমাদের যা করা উচিত তা হচ্ছে আমাদের টেক্সট কে ছোট ছোট অংশে যেমন প্যারাগ্রাফে ভাগ করে ফেলে দেন সেই প্যারাগ্রাফ শেষ হওয়ার পরে তাকে একটা কার্ড দিয়ে ঢেকে সেই অংশে কি ছিল সেটাকে মনে করার চেষ্টা করা উচিত! এটা শুনতে একটু অকোয়ার্ড লাগতে পারে, বাট ইট ওয়ার্ক্স ওয়েল! যখন আপনার পুনরায় বারবার বারবার এক জিনিস পড়া লাগবে নাহ, আপনার ফাঁকা সময় ৭০% বেড়ে যাবে। পরের পেইজে যাওয়ার আগে ছোট করে একটা রিক্যাপ দিয়ে নিলেই আমাদের মন মোটামুটি একটা লাইনে থাকে। সাথে পেইজ শেষ করার পরে মনে রিক্যাপ দিতে হবে, এটা ভেবেই হয়ত আমাদের ব্রেইন একটু এক্সট্রা ফোর্স দেয়!
আরেকটা বাজে অভ্যাস হচ্ছে মুখে মুখে শব্দ করে পড়া। আমাদের অনেকের মধ্যেই এটি আছে (আমার মধ্যে কখনোই ছিল নাহ)। হ্যাঁ, যদি আপনি ডিস্লেক্সিয়া বা এরকম কোনো ভাষাগত সমস্যায় ভুগেন, তাহলে আপনাকে এটি অনেক হেল্প করে। কিন্তু আপনার নিউরোলজিক্যাল অর্ডার ঠিক থাকলে, এটা কেবল ই আপনার সময় কমাচ্ছে। আপনার ব্রেইন রিডিং স্পিডে ৪৫০ ওয়ার্ড পার মিনিট ইজিলিই তুলতে পারে। কিন্তু আমাদের টকিং স্পিড এট্মোস্ট ১৫০ ওয়ার্ড পার মিনিট। আমরা তো ৩ গুণ বেশি বাড়িয়ে ফেলছি সময়! ভেবে দেখুন একবার নিজে! এটা কমানোর জন্য সিমপ্লি মুখে একটা চুইং গাম, বা কোনো খাবার রেখে পড়ার ট্রাই করুন। দেখবেন আসতে আসতে কমে গিয়েছে আপনার এই অভ্যাস! আর স্পিডে পড়তে চাইলে কিছু এক লাইনের ৬/৭টি ওয়ার্ড ভালোভাবে পড়ে দ্রুত স্কিপ করার চেষ্টা করতে পারেন!
CHAPTER 3: TAKE SOME SPEED-READING READING SHORTCUTS
এবার আসা যাক কীভাবে আমরা আমাদের পড়ার সময়কে বা পড়ার জন্য ব্যয় হওয়া সময়কে কমিয়ে ভালোকাজে ব্যয় করতে পারি সেটা বের করতে। পড়ার সময় আমাদের মাথায় একটা ডেফিনিট গোল থাকা দরকার। যে আমরা কী পড়ছি, কেন পড়ছি। এটা যে খুব সিরিয়াস একটা উত্তর হতে হবে কথা নাই। জাস্ট কোনো একটা কারণ থাকলেই হচ্ছে। যেমন আমি কেন আমার এক্স এর নিউজফিড স্ক্রল করছি? আমাকে নিয়ে সে কোন কিছু লিখেছে নাকি দেখতে! এই যে সিম্পল উত্তর পেয়ে গেলাম!
এবার প্রশ্ন করতে হবে এই তথ্য কী আমার কোনো কাজে লাগবে? বা কী কাজে লাগবে এক্স্যাক্টলি? এই প্রশ্ন করার মাধ্যমে আমরা আমাদের টক্সিক বা ইউজলেস কাজ গুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারব। যেমন আমার এক্স এর পোস্টে আমাকে নিয়ে কিছু লিখলো কিনা খুঁজে বের করার ট্রাই করে আমার কী কিছু হবে? মোস্ট প্রোব্যাবলি নাহ! বা আমার কোনো কাজে লাগবে না একটা জিনিস, বা কোনো একটা মিটিং এর নোট যার সাথে আমার কোনো সম্পর্কই নেই, আমি সেটা তাহলে পড়ছি কেন? এই যে কীভাবে আমরা এই তথ্য কাজে লাগাতে পারব, মনকে এই প্রশ্ন করে যদি ভালো কোনো উত্তর নিজের মনকে নিজে দিতে না পারেন তাহলে সেটা না পড়াই উচিত!
নন ফিকশন পড়ার ক্ষেত্রে একটা গোল্ডেন টিপস হচ্ছে পড়ার আগে সেটার ইন্ট্রো প্যারাগ্রাফ বা সূচিপত্র ইত্যাদি পড়ে নেওয়া। সূচী বা যেই টেক্সট গুলা বোল্ড করা আছে, পুরো বই ঘেটে কেবল বোল্ড করা টেক্সট পড়লেই আপনার একটা মোটামুটি আইডিয়া হয়ে যাবে সেই বই এ কি আছে! এবঙ নন ফিকশন বইয়ের ক্ষেত্রে সুন্দর করে হেডিং বোল্ড করা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এই যে বোল্ড অংশ গুলো পড়ে নেওয়া, এটা কিন্তু আপনাকে ৪০% জানিয়ে দিতে পারে যে সেই বইয়ে কি আছে! শুনতে আউফাউ লাগতে পারে, কিন্তু লেখকের গবেষণা তা ই বলে!
CHAPTER 4: SPEED READ WITH KEYWORDS
এবার ফাস্ট রিডিং এর কিছু ট্রিক্স ও দেওয়া যাক! মূলত এই রিডিং ট্রিক্স কি সেটা আমাদের জানাই হয় নাহ কারণ প্রাথমিক বা এলিমেন্টারি স্কুলের পরে আমাদেরকে কেউ আর পড়া শিখায় নাহ। কীভাবে টেক্সট পড়তে হয় আমরা সেটা শিখি, এবং এরপর আর কিছুই নাহ। আমাদের টিচার রাও পড়ার মডার্ন টেকনিক সম্পর্কে অবগত না, বা যারা অবগত তারা অত টাইম বা রিসোর্স পায় নাহ তার সাব্জেক্টের বাইরে আমাদেরকে সেটা শিখানোর। ফলে আমাদের ডেভেলাপমেন্ট আর হয় না! নিচে কিছু ট্রিক্স আছে যা ট্রাই করার মত!
ফাস্ট রিডিং এর সবথেকে বড় ট্রিক্স হচ্ছে কেবল মাত্র কি ওয়ার্ডের মাধ্যমে পড়ার চেষ্টা করা। একটা লাইনের সব ওয়ার্ড সমান গুরুত্বপূর্ণ নাহ! কিছু ওয়ার্ড আমরা যদি কিছু কি ওয়ার্ড এর দিকে নজর নিয়ে বাকি ওয়ার্ড গুলো কিছুটা উপেক্ষা ও করে যাই, প্যারাগ্রাফটা পড়ার শেষ হওয়ার পরে আমরা কিন্তু বুঝে যাব সেই প্যারাগ্রাফ এ কোন আইডিয়া নিয়ে ডিস্কাস করা হয়েছে! ইম্পরট্যান্ট ওয়ার্ড হচ্ছে এমন কিছু ওয়ার্ড যেগুলো একটা সার্টেইন লেভেল এর মিনিং দেয় এবং যেগুলো হয়ত আপনাকে প্রথম শ্রেণী তে উঠার পরে শিখতে হয়েছে, আগে জানতেন নাহ!
আরেকটা উপায় হচ্ছে পেরিফেরাল ভিশনকে ডেভেলাপ করা। যেমন একটা লাইনকে/ চাইলে এভাবে/ বেশ কিছু স্ল্যাশ/ দিয়ে অনেক ভাবে/ ছোট ছোট ভাগে/ ভাগ করে আলাদা করে এরপর/ সেই ভাগ অথবা/ সেই স্ল্যাশ চিহ্ন গুলোর আশেপাশে/ চোখ কে নিয়ে গিয়েই/ নিজের ব্রেইন কে খুব কম/ সময়ে অনেক বেশি/ ইনফরমেশন নেওয়ার জন্য ফোর্স/ করা যায়। এই যে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে দ্রুত পড়ার চেষ্টা করা, এটার প্র্যাক্টিস করতে পারলে আপনি আপনার স্পিড দুই/আড়ায় গুণ বাড়াতে পারতেই পারেন!
এটা যেকোন ভাবেই করা যায়। নিজের পেরিফেরাল ভিশনকে টেস্ট করার মাধ্যমেই এটা জাগ্রত হবে। আপনি রাস্তায় যেকোন একদিকে তাকিয়ে যেসব টেক্সট দেখতে পেয়েছেন তা দ্রুত অন্য একদিকে চোখ চোখ সরিয়ে মনে করার চেষ্টা করুন! এই চেষ্টা আপনার মেমোরি কে ডেভেলাপ করবে, পড়ার স্পিড বাড়াবে, বাড়াবে নিউরন কানেকশনের ফ্লেক্সিবিলিটি!
CHAPTER 5: READING BETWEEN THE LINES
এর মধ্যেই অনেক গুলো উপায় ছুড়ে দেওয়া হয়েছে, তা ও যদি এনাফ না হয়, তাহলে রয়েছে আরো! তার মধ্যে একটা হচ্ছে, দুইলাইনের মাঝখানে চোখ রেখে পড়া। দুই লাইনের মাঝে যে সাদা স্পেস থাকে সেটার দিকে তাকালে উপরের এবং নিচের লাইনের লেখাগুলো মোটামুটি চোখে পড়ে এবং বুঝা যায় কী লেখা হয়েছে। শুরুর দিকে এটাতে হয়ত সময় বেশি লাগবে কিন্তু আসতে আসতে এটাতে সময় ডাবল কমে যাবে। এটাও মূলত আপনার পেরিফেরাল ভিশন কাজে লাগানোর একটি উপায়!
আরেকটি উপায় হচ্ছে পড়ার সাইজ ছোট করা। আপনি পেজের বাম দিক থেকে এক ইঞ্চি এবং ডান দিক থেকে এক ইঞ্চি বাদ দিবেন। এক ইঞ্চি বাদ দিয়ে আপনি পড়ার শুরু করবেন। মানে ধরুন যে আপনি যেকোন লাইনের প্রথম এবং শেষ দুইটি ওয়ার্ড পড়ার চেষ্টা করবেন নাহ, আপনার ব্রেইনকে নিজে থেকে পড়ে নিতে উৎসাহিত করবেন। এতে আপনি ৮০% পড়া ২০% কম সময়ে ৮০% বেশি স্পিডে ৮০% বেশি ইফেক্টিভ্লি পড়তে পারবেন!
CHAPTER 6: USING YOUR HAND OR A PEN AS TOOLS
আমরা ছোট বেলায় ওয়ার্ডের নিচে আঙ্গুল দিয়ে দিয়ে পড়ার চেষ্টা করতাম, মনে আছে? বড় হতে হতে সেই চেষ্টাটা হয়ত চলে গিয়েছে, কিন্তু এখনই মেইবি সেই চেষ্টাটাকে ফিরিয়ে আনার উপযুক্ত সময়! কেননা এই আঙ্গুলের উপরে কী শব্দ আছে সেটাকে আমাদের চোখ ইজিলি ফলো করতে পারে। ফলে উপরে যে টেকনিক গুলো আমরা আলোচনা করলাম, ৮০% কমানোর বা কি ওয়ার্ডে ফোকাস করার, সেটা এই আঙ্গুল দিয়ে সহজেই করা যাবে। এবং তাতে হয়ত দিবাস্বপ্নে আচ্ছন্ন হওয়ার মাত্রাও অনেকটা কমে যাবে!
তার সাথে ওই যে একটা কার্ড দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কথা বলছিলাম, সেটাও এপ্লাই করবেন। প্রথমে এগুলোকে অনেক এম্বারেসিং লাগতে পারে বাট দুইটা জিনিস মাথায় রাখবেন। প্রথমত এগুলো আপনাকে অনেক ফাস্ট ইম্প্রুভ করতে সাহায্য করবে, সাহায্যটা হচ্ছে আপনারই। আর সেকেন্ডলি, এগুলো হচ্ছে ৪ চাক্কার সাইকেল এর মত। এক্সট্রা নিচের দুইটি চাকা আমাদেরকে শুরুতে ব্যালেন্স আনতে বা কীভাবে আসলেই চালাতে হয় সাইকেল সেটা শিখতে সাহায্য করে। এই আঙ্গুল বা কার্ড আপনাকে সারাজীবন ব্যবহার করতে হচ্ছেও নাহ! আপনার স্কিল আপনার আয়ত্ত্বে আসলেই শিলাজিতের গান গাইবেন “যা পাখি উড়তে দিলাম তোকে”।

CHAPTER 7: FINAL SUMMARY
আমাদেরকে পুরানো মিসকন্সেপশনগুলোকে আমাদের আইডেন্টিফাই করা উচিত, এবং তাকে নতুন হ্যাবিট দিয়ে বদলানো উচিত। এই বই এর লেখাগুলো আমাদের ভুল বুঝাতে সাহায্য করবে এবং আমাদেরকে নতুন কিছু টুল দিবে নিজেদেরকে ডেভেলাপ করতে!








মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন